1. ssexpressit@gmail.com : dailysangbad :
  2. journalistrupok@gmail.com : Rupokur Rahman : Rupokur Rahman
  3. sr42692@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
সর্বশেষ :
আশুলিয়ায় চাঁদার টাকা হালাল করতে পুলিশ কর্মকর্তাকে ফাঁসানোর অভিযোগ ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হলেন বাঁধন, বিভিন্ন মহলের অভিনন্দন সাভারে বিএনপি প্রার্থী সালাউদ্দিনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষে ভোট দিন-সাভারে বিএনপি প্রার্থী তুলি সাভারে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়ন, সালাউদ্দিন শিবিরে উল্লাস ঢাকার ২০ টি আসনে ধানের শীষ যাদের হাতে সাভারে ভয়ংকর ভূমিদস্যু চক্র, রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙ্গিয়ে ১০ কোটি টাকার সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা আশুলিয়ায় আর্মি ক্যাম্পের মেডিকেল ক্যাম্পেইন, সেবা পেল ৫ শতাধিক দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষ সাভারে ছাত্রদলের প্রতিবাদ মিছিল সাভারে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার শিহাবের মতবিনিময়

বাংলাদেশের অভিবাসীদের ‘অবৈধ’ দাবি করে সতর্কবার্তা ভারত

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৭৬ জন পড়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এই রাজ্যটিতে দীর্ঘদিন ধরেই সেখানকার আদি বাসিন্দা এবং বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাত চলছে। রাজ্যে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি শুরু থেকেই বাংলাদেশের অভিবাসীদের ‘অবৈধ’ দাবি করে তাদেরকে আসাম থেকে বিতাড়িত করার সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে। তবে মৌখিকভাবে বা রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে এ ব্যাপারে কথাবার্তা বললেও, বাস্তবে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি অভিবাসীদের উচ্ছেদের কোনো উদ্যোগ নেয়নি কেন্দ্রীয় কিংবা আসামের রাজ্য সরকার।
১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) থেকে ভারতের আসামে যত অভিবাসী গেছেন, তাদের সংখ্যা ও অন্যান্য তথ্য জানতে চেয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ৫ জন বিচাপতির একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যের রাজ্য সরকাকে লিখিত এক আদেশে বলেন, আগামী ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে এসব তথ্য পাঠাতে হবে।
অবশ্য তার একটি বড় কারণ বিজেপিবিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। অভিযোগ— তাদের বিজেপি এই ইস্যু থেকে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে চাইছে।এদিকে, বাংলাদেশি অভিবাসীদের উচ্ছেদ না করলেও আসামের রাজ্য সরকার ভারতের নাগরিকত্ব বিষয়ক আইনের ‘৬ এ’ ধারার অপব্যবহার করে তাদের নানাভাবে হয়রানি করছে বলে এ পর্যন্ত ১৭টিরও বেশি পিটিশন জমা পড়েছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। এসব পিটিশনে ‘৬ এ’ ধারার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ছিল সেইসব পিটিশনের ওপর শুনানির দিন। শুনানি শেষে এই আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ